Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

সাবেক মন্ত্রী টিউলিপকে নিয়ে উত্তপ্ত ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৫, ১১:৫৫ পিএম

সাবেক মন্ত্রী টিউলিপকে নিয়ে উত্তপ্ত ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের সিটি মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) পদত্যাগ করেছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোনের মেয়ে। টিউলিপের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ, যেমন শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির কাছ থেকে ফ্ল্যাট উপহার গ্রহণ এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রে ছিল। এসব বিতর্কের মুখে তিনি মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। তবে পদত্যাগের পরও তার বিরুদ্ধে সমালোচনা থামেনি।

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) ব্রিটিশ পার্লামেন্টে টিউলিপ সিদ্দিককে নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অভিযোগের কথা উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় নেত্রী কেমি বাডোনেচ বলেন, শেয়ার বাজারে যখন অস্থিরতা চলছে তখন প্রধানমন্ত্রী সাবেক সিটি মিনিস্টারের বিরুদ্ধে ওঠা সমালোচনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী গতকাল বলেন, তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু (টিউলিপ) পদত্যাগ করায় তিনি ব্যথিত। (তিনি এমন একজনের জন্য ব্যথিত) যিনি দুর্নীতি বিরোধী মন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু নিজেই দুর্নীতির জন্য তদন্তের অধীনে আছেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের উপদেষ্টা, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সাবেক সিটি মিনিস্টার উপহার হিসেবে লন্ডনের যে ফ্ল্যাট পেয়েছিলেন সেটি হয়তো ডাকাতি করা অর্থের মাধ্যমে কেনা। প্রধানমন্ত্রী কি বাংলাদেশকে এই অভিযোগ তদন্তের জন্য আমাদের জাতীয় তদন্ত সংস্থার সহযোগিতার প্রস্তাব দেবেন?

এমন প্রশ্নে কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্পিকার সাবেক সিটি মিনিস্টার নিজেই তার বিরুদ্ধে তদন্তের আহ্বান জানান। এতে জানা গেছে তিনি মন্ত্রিত্বের কোনো নীতি ভঙ্গ করেননি। তার বিরুদ্ধে কোনো অসঙ্গতি পাওয়া যায়নি। তদন্তে তিনি পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন।

এরপর বিরোধী দল ও পুরোনো একটি তদন্তের কথা উল্লেখ করে স্টারমার বলেন, কিন্তু এটির (টিউলিপের পদত্যাগ) সঙ্গে ছায়া পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তুলনা করলে দেখা যাচ্ছে, তিনি মন্ত্রী থাকাকালে নীতি ভঙ্গ করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে যে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছিল, সেটি উপেক্ষা করা হয়েছিল। উল্টো স্বাধীন তদন্তকারীকেই পদত্যাগ করতে হয়েছিল। অথচ ছায়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী এখন নেতার দায়িত্ব পালন করছেন।

বিরোধী দলীয় নেত্রী কেমি বাডোনেচ বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে তদন্তে সহায়তার প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি। কেয়ার স্টারমারকে কটাক্ষ করে বলেন, তিনি জেনেশুনে এক প্রতারককে যোগাযোগ সেক্রেটারি বানিয়েছিলেন। মাত্র কয়েকদিন আগেও দুর্নীতি বিরোধী মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের ওপর তার পূর্ণ আস্থা ছিল।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
Email: [email protected]

অনুসরণ করুন